শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮:৪৮ পিএম, ২০২৪-১১-১১
আদরে আগলে রেখে দুঃখ কষ্ট সকল কিছু নিজে সয়ে যে সন্তানকে তিল তিল করে বড় করেছেন, যে সন্তানের জন্য পিতা মাতা নিজেদের আরাম আয়েশের কথা ভূলে গিয়ে সন্তানকে সমাজে সুশিক্ষিত হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিজেদের কষ্টে অর্জিত অর্থ ব্যয় করে সন্তানকে শিক্ষিত হিসেবে এই সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সেই কোটিপতি সন্তানই আজ বৃদ্ধ মায়ের শেষ সম্বল ভিটি টুকু কেড়ে নিয়েছে। এমনই এক চাঞ্চল্যকর নির্মম পাষণ্ড ঘটনার জম্ম দিয়েছেন দোহাজারী চাগাচরের "রাজ নিবাস" ও "রয়েল শান প্যালেসের" সৈয়দ হাসিম বাহাদুর ও তার স্ত্রী রুনা।
গত ২৯/১০/২৪ ইং তে বাহাদুরের মা খায়রুনেচ্ছা ও বোন চন্দনাইশ সেনা ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ করেন বাহাদুরের বিরুদ্ধে, অভিযোগে বলা হয় বৃদ্ধ মা খায়রুনেচ্ছা তার নিজ নামীয় খতিয়ান ভুক্ত ভূমিতে তাহার নিজ সন্তান বাহাদুর ও তার পালিত সন্ত্রাসী বাহিনীর বাঁধায় ঘর নির্মাণ করতে পারছেন না,যখনি বৃদ্ধ মা খায়রুনেচ্ছা ঘর নির্মাণ কাজ আরম্ভ করতে যান তখনই বাহাদুর ও তার পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী এসে বাঁধা প্রদান সহ শারীরিক ভাবে তাদের লাঞ্চিত ও হেনস্তা করেন ইতি পূর্বে একবার বৃদ্ধ মা ঘর নির্মাণ করতে গেলে বাহাদুরের সন্ত্রাসী বাহিনী কামাল, মান্নান, মোহাম্মদ আলী,লিয়াকত আলী,সহ আরো ৭/৮ জন বৃদ্ধ খায়রুনেচ্ছা ও তার মেয়েকে মারধর টাকা পয়সা চুরি সহ শ্লীলতাহানি করে উক্ত বিষয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একখানা মামলা চলমান রয়েছে, উক্ত মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন পূর্বক সাক্ষী পর্ব চলমান রয়েছে।
গত ৩০/১০/২৪ ইং তে মা খায়রুনেচ্ছা ও তার মেয়ে তাদের নিজ খতিয়ান ভুক্ত ভিটিতে প্রবেশ করলে বাহাদুরের পালিত সন্ত্রাসী বাহিনীর কামাল, মান্নান,নূর মোহাম্মদ, করিম, সহ অজ্ঞাত আরো ৬/৭ জন তাদেরকে সেখানে অবরুদ্ধ করে রাখে, খায়রুনেচ্ছার মেয়ে নাসরীন হাসান ঘটনা স্থল থেকে ৯৯৯ ও সাংবাদিকদের কল দিয়ে বিষয়টি জানালে ঘটনা স্থলে পুলিশ ও সাংবাদিকরা গিয়ে খায়রুনেচ্ছা ও তার মেয়েকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে নেন। পরর্বতীতে খায়রুনেচ্ছা ও তার মেয়ে চন্দনাইশ সেনা ক্যাম্পে গিয়ে পুরা বিষয়টি ক্যাম্প ইনচার্জকে জানালে ক্যাম্প ইনচার্জ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে উক্ত বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বাহাদুরের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, বিগত সরকার আমলে অবৈধ ও দুর্নীতির মাধ্যমে বাহাদুর ও তার স্ত্রী অবৈধ সম্পদের মালিক বনে যান, অর্জিত প্রচুর সম্পদের মালিক বাহাদুর, তার দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে দোহাজারীর চাগাচরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ছয় কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণ করে রাজকীয় "রয়েল শান প্যালেস" নামক তিন তলা বিল্ডিং ও দেড় কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণ করে "রাজ নিবাস" বাহাদুর ও তার স্ত্রীর রয়েছে নামে বেনামে প্রচুর সম্পদ, দোহাজারীর হাজারী শপিং মলে পৌনে দুই কোটি টাকা মূল্যের দুটি দোকান, রয়েছে সাতকানিয়ার উপজেলায় লালটিয়া পাহাড়ি টিলায় চার কোটি টাকা মূল্যের রাজকীয় বাগান বাড়ি ও মংলা সিগন্যাল টাওয়ারে রয়েছে এশা ফ্যাশন নামক শোরুম, দূর্নীতির টাকায় বাহাদুর তার বড় মেয়েকে পাঠিয়েছে আমেরিকা, অর্থ লোপাটকারী দূর্নীতিবাজ বাহাদুর এলাকায় দানবীর হিসেবে পরিচিতি, পাবার আশায় অতীতের অর্থ লোপাট সহ দূর্নীতির কথা মুছে ফেলার জন্য প্রতি বছর কুরবানিরর ঈদে ধুমধামের সাথে ১৫/২০ লক্ষ টাকা ব্যয় করে দেয় কুরবানী। দুর্নীতির মাধ্যমে বিশাল পরিমাণের অর্থ ও সম্পদের মালিক হওয়া সত্বেও বাহাদুর ও তার স্ত্রী নিজের বৃদ্ধ মায়ের ( খায়রুনেচ্ছার) জীবনের শেষ সম্বল সাড়ে তিন গন্ডা জায়গায় হিংস্র হায়েনার মতো দখলের থাবা বসিয়ে দেয়,ভেংগে দেয় বিধবা বৃদ্ধ মায়ের জায়গার প্রাচীর। ষাটউর্ধ বৃদ্ধ মা এই বয়সে এসে বাধ্য হয়ে চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভরণপোষণের মামলা দায়ের করলে আদালত প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা ভরণপোষণ প্রদান করার আদেশ দিয়ে তৎপরবর্তী আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে উক্ত মামলা নিষ্পত্তির জন্য জেলা লিগ্যাল এইডে উক্ত মামলা প্রেরণ করলে চট্টগ্রাম জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) জনাব মুহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল প্রতি মাসে ভরণপোষণের জন্য বারো হাজার টাকা ও দুই ঈদে নতুন কাপড়চোপড় দেওয়ার লিখিত আদেশ প্রদান করেন বাহাদুরকে। উল্লেখ্য চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রথম আদেশ ও পরর্বতীতে লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) জনাব মুহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল ভরণপোষণের জন্য চূড়ান্ত আদেশ দিলে ও অতি ধূর্ত ভূমিদস্যু খ্যাত দূর্নীতিবাজ বাহাদুর তার বৃদ্ধ মাকে আজ অব্দি একটি টাকা না দিয়ে উল্টো আদালতের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মা খায়রুনেচ্ছার ভরণপোষণের মামলাটি চতুরতার সাথে নথিজাত করিয়ে নেয়। এখানেই থেমে থাকেনা দূর্নীতিবাজ ভূমিদস্যু বাহাদুরের অপরাধ ও অপকর্ম ভরণপোষণের মামলা নথিজাত করেই পূর্ণ হিংস্রতার সাথে হায়েনা রূপে দখলের থাবা বসিয়ে দেয় মা খায়রুনেচ্ছার সাড়ে তিন গন্ডা জায়গার উপর, খায়রুনেচ্ছার খতিয়ান পর্যালোচনা করে দেখা যায় বাহাদুরের মা খায়রুনেচ্ছার নামে নামজারি খতিয়ান ও দেয়ারা খতিয়ান চুড়ান্ত আছে, ভুক্তভোগী বৃদ্ধ মা খায়রুনেচ্ছা রয়েছেন চরম রকমের নিরাপত্তাহীনতায়, জীবনের শেষ সম্বল টুকু পুনরায় ফিরে পাবার জন্য দারস্থ হয়েছেন চট্টগ্রাম আদালত সহ প্রশাসনের নিকট। এব্যাপারে এলাকার সচেতন মহল বলেন আমরা আশা করি প্রশাসন ও সরকার এ ব্যাপারে বৃদ্ধ খায়রুন্নেসাকে পূর্ণ সহযোগিতা করে তার স্বীয় সন্তান ও পুত্রবধূর দ্বারা দখল হয়ে যাওয়া ভূমি পুনরায় উদ্ধার করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।
বাহাদুর এর মুঠোফোন যোগাযোগ চেষ্টা করে ও যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি ।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited